গুগল ক্লাউড ভিএম ইনস্ট্যান্সে কাস্টম ডোমেইন এসএসএল সেটআপ
ছাত্র অবস্থায় টাকা জমানোগুগল ক্লাউড ভিএম ইনস্ট্যান্সে কাস্টম ডোমেইন এসএসএল সেটআপ আমাদের ওয়েবসাইটের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। এখন অনেক সময় ওয়েবসাইটে দেখা যায় যে নিজের ডোমেইন না থাকলে অন্যের ডোমেইন দিয়ে কাজ করার সময় অনেক বেশি অসুবিধা হয়ে থাকে ।
পেজ সূচিপত্র ঃ google ক্লাউড এ ডোমেন সেটআপ করা নিয়ে কিছু আলোচনা করা হলো
- গুগল ক্লাউড ভিএম ইনস্ট্যান্সে কাস্টম ডোমেইন এসএসএল সেটআপ
-
ডোমেইন সেটআপ করার নিয়ম কি ?
-
Google অ্যাকাউন্টের ডোমেইন সেটআপ করা
-
ডোমেইন সেটাপ করতে কত টাকা লাগে
-
ডোমেইনের আন্ডারে কয়টি ওয়েবসাইট খোলা যায়
-
ডোমেইন কেনার নিয়ম কি কি?
-
ডোমেইন নিজের নামে কাস্টম করার নিয়ম
-
ক্লাউড হোস্টে ফ্রি ওয়েবসাইট কেনার নিয়ম
- ব্লগার ও ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট কি ?
-
শেষ কথা ঃ লেখক এর মন্তব্য
গুগল ক্লাউড ভিএম ইনস্ট্যান্সে কাস্টম ডোমেইন এসএসএল সেটআপ
গুগল ক্লাউড ভিএম ইনস্ট্যান্সে কাস্টম ডোমেইন এসএসএল সেটআপ করা আমাদের ওয়েবসাইটের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি ব্লগার ও ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করে। কারণ ক্লাউড থেকে ডোমেইন বা অন্যান্য সফটওয়্যার কেনা অনেক বেশি সাশ্রয়ী মূল্যের হয়ে থাকে। তাই এটি কেনার সকলের কাছেই অনেক বেশি কমদামী বা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। এজন্য যারা ওয়েবসাইট কিনতে যায় তাদেরকে এটি করা অনেক বেশি জরুরী। এটির কিছু নিয়ম নিম্নোক্ত ছবিতে দেখানো হলো।
এই উপরোক্ত স্টেজগুলো ফলো করলে আমরা খুব সহজভাবে আমাদের কম্পিউটার বা ল্যাপটপে এটি খুব ভালোভাবে সেটআপ করতে পারব। উপরোক্ত স্টেজগুলোতে সবকিছুই উল্লেখ করা আছে। এটা এ টু জেড বলা আছে যে কিভাবে এটি করতে হয়। এই স্ক্রিনশট গুলো ফলো করলে আমরা খুব সহজভাবে কাজটা সম্পন্ন করতে পারব। আপনারাও যদি করতে চান তাহলে এই স্টেপ গুলো ফলো করুন।
তাই বলা যায় যে, ডোমেইন সেটআপ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ আমাদের ওয়েবসাইটের জন্য এবং এর কারণেই আমরা অনেক কাজ করে থাকি। ওয়েবসাইট সাধারণত আমরা দুই প্রকারের ব্যবহার করে থাকি এই দুই প্রকার হলো ব্লগার ও ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট এবং এই দুইটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই আমরা অনেক বেশি কাজ করে থাকি। এখন অন্যান্য প্যারাগুলার মাধ্যমে আমরা জানতে পারবো যে আমরা কি করে এটি ব্যবহার করব।
ডোমেইন সেটআপ করার নিয়ম কি ?
ডোমেইন সাধারণত সেটআপ করার কয়েকটি নিয়ম রয়েছে। এই নিয়ম গুলো হলো সাধারণত কিছু টাকা দিয়ে ডোমেইন পারচেজ করা অথবা ফ্রী ডোমেইন নেওয়ার চেষ্টা করা। আমাদেরকে এই নিয়মগুলো সব সময় মেনে চলতে হবে কারণ দেখা যাবে যে এই নিয়ম গুলোর নাম আনতে পারলে ডোমেন না কেনাই বেটার। কারণ ডোমেইন কিনতে চাইলে এর নিয়ম কানুন জানতে হবে এবং সেটি মেনেই কিনতে হবে। তা না হলে এটা ব্যবহার করা অনেক বেশি কঠিন হয়ে যাবে।
কারণ আমরা আগেই জেনেছি গুগল ক্লাউড ভিএম ইনস্ট্যান্সে কাস্টম ডোমেইন এসএসএল সেটআপ করার নিয়ম অনেক বেশি সহজ। সেই জন্য যে কেউ এই কাজটি খুব সহজে করতে পারে এবং তার ওয়েবসাইট ক্রয় করে সেই ওয়েবসাইটে কাজ করতে পারে। এই নিয়মগুলোর সঠিকভাবে মেনে চললেই আমরা সঠিকভাবে কাজ করতে পারবো। তাই কোন কাজ করার আগে সেটির ব্যবহার বিধি জেনে নেওয়া সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
ডোমেইন সঠিকভাবে সেট আপ করতে চাইলে নেমচিপ একাউন্টে ঢুকতে হবে এবং সেই নেমচিপ একাউন্ট থেকে ফ্রিতে একাউন্টে যেকোনো ডোমিন সেটআপ করে নিতে হবে সেটা কি নামে আছে সেটা খেয়াল করে নিতে হবে। তারপরে নিজের ওয়েবসাইটের একটি নাম দিয়ে নিজের google একাউন্টে ঢুকতে হবে এবং তারপরে ব্লগার অথবা ওয়ার্ডপ্রেস এ গেলে দেখা যাবে নিজের ওয়েবসাইট একটি তৈরি হয়ে গেছে ।
সেই অ্যাকাউন্টটি ঠিকমত কাজ করছে কিনা সেটা দেখার জন্য প্রথমে আমাদেরকে google একাউন্টে ঢুকতে হবে এবং তারপরে আমরা দেখব যে গুগল একাউন্টের সবকিছু ঠিক আছে কিনা। এইভাবেই কাজ করতে হবে একটি ওয়েবসাইটের জন্য এবং ওয়েবসাইটটি ভালোমতো কাজ করছে কিনা সেটা সবসময় খেয়াল রাখতে হবে এবং কোন অসুবিধা হলে সেটিকে যেই প্রতিষ্ঠান থেকে ডোমেইন কেনা হয়েছে সেই প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
ডোমেন কিনে দুইটি ওয়েবসাইট খোলা যায় সেটি হলো একটি ব্লগার আরেকটি হলো একটি ওয়ার্ডপ্রেস। ব্লগারটি তুলনামূলকভাবে ওয়ার্ক প্রেসার চাইতে সাশ্রয়ী হয়ে থাকে। আর এটিতে অ্যাকাউন্ট খোলার সকলের জন্য অনেক বেশি জরুরী কারণ ব্লগারের পোস্ট লেখে অনেক বেশি আর্নিং করা যায়। কারণ ব্লগার ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে আর্টিকেল লেখে অনেক বেশি ইনকাম করা যায় এবং এটিতে এডসেন্স এডসেরা যোগ করা যায়। আর এগুলো যোগ করার ফলেই আমরা গুগল থেকে অনেক রাঙ্কিং পাই এবং অনেক বেশি টাকা ইনকাম করে থাকি।
Google অ্যাকাউন্টের ডোমেইন সেটআপ করা
আমরা আগেই জেনেছি যে গুগল ক্লাউড ভিএম ইনস্ট্যান্সে কাস্টম ডোমেইন এসএসএল সেটআপ করা আমাদের google একাউন্ট এর জন্য কেন এত বেশি জরুরী এবং আমাদের গুগল একাউন্ট থাকলে আমাদের কেন এটি করতে হয়। google অথবা ইমেইল একাউন্ট থাকলে আমরা অনেক কাজ করতে পারি এবং অনেক ভাবে আর্নিং সোর্স তৈরি করতে পারি। কিন্তু আমাদের এই সমাজে বা এই যুগে এসেও যে গুগল বা ইমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে না তারা অনেক পিছিয়ে রয়েছে।
কারণ এখনকার যুগে যারা ডোমেইন ব্যাবহার করতে পারে না তারা অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। ডোমেইন ব্যবহার করতে পারাটা আসলে অনেক বেশি দক্ষতার একটি কাজ বলে আমরা মনে করি। কারণ একটি ডোমেইনের জন্য অনেক বেশি কাজ করা যায় এবং অনেক বেশি ওয়েবসাইট খোলা যায়।আমরা বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ওয়েবসাইটের কাজ করতে পারি। ওয়েবসাইট যে শুধুমাত্র আর্টিকেল লেখার জন্যই ব্যবহার হয় এমন কথা না ওয়েবসাইট অনেক কাজেও ব্যবহার হয়ে থাকে আমাদের দৈনিন্দন জীবনে ।
আরো পড়ুনঃ ছাত্র অবস্থায় ইনকাম করার উপায় বাংলাদেশ
আমরা যেকোনো ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ থেকে ডোমেইন ক্রয় করে সেটা গুগল একাউন্টে সেটাপ করতে পারি খুব সহজেই। এভাবে ডোমেন একাউন্ট ক্রয় করে আমরা সেটাকে খুব সহজে সেটাপ করে আমরা সেটাতে কাজ করতে পারি। এভাবেই চলতে থাকে ডোমেইন সেটা এবং এর ব্যবহার। সেই জন্য এটি ব্যবহার করা হয় অনেক ভালোভাবে এবং এটির কাজও রয়েছে আমাদের দৈনন্দন জীবনে অনেক বেশি। সেই জন্যই এটা এত বেশি জরুরী।
ডোমেইন সেটাপ করতে কত টাকা লাগে
বাংলাদেশ অথবা ভারতবর্ষের মতো জায়গায় ডোমেইন কিনতে সাধারণত দুই থেকে তিন হাজার টাকা লেগে থাকে তাছাড়া কোন কোন জায়গায় এটি ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যেও পাওয়া যায়। তাই এটি সকলেই কিনতে পারে এবং ব্লগার একাউন্টে এটি সেটা পড়ে সেটার আন্ডারে অনেক বেশি ব্লগার একাউন্টটা খুলতে পারে মিনিমাম একশোটার মতো ব্লগার একাউন্ট খুলতে পারে একটি ডোমেইন এর আন্ডারে। সেই জন্য যে প্রতিষ্ঠানগুলো ডিসকাউন্ট দেয় সেই প্রতিষ্ঠানটিকে অনেকে ডোমেইন কিনে থাকে।
আসলে সব সময় টাকাটিকে বড় বিষয় হিসেবে না দেখে অনেক সময় নিজের ক্যারিয়ার বা নিজের অন্যান্য কাজকেও বড় ফোকাস হিসেবে দেখা উচিত। এখন ডোমেইন কিনতে যত টাকা লাগুক কিন্তু একটি ভালো ডোমেইন এর জন্য জীবনটি চেঞ্জ হয়ে যেতে পারে। দারুন একটি ভালো ডোমেইন খুলে আমরা অনেক বেশি ইনকাম করে থাকতে পারি। ডোমেইন বলতে সাধারণত একটি নাম কে বুঝি এবং এর হোস্টিং বলতে এর একটি ঠিকানা কি বুঝি। কারণ একটি ডোমেন ছাড়া ওয়েবসাইট অচল।
তাই বলতে পারি,যে ডোমেইন সেট করতেছে সব সময় টাকা লাগবে তা নয়। কিন্তু তারপরেও বেশিরভাগ সময়ই এটার জন্য টাকা-পয়সা কিছু লেগে থাকে। সেই জন্য ডোমেন কেনার আগে কিছু টাকা পয়সার প্রস্তুতি সকলকে নিয়ে নিতে হবে এবং ডোমেইন কেনার জন্য নিজেকে প্রস্তুত হতে হবে। সেই জন্য সকলকে প্রথম থেকেই এর ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে এবং জানতে হবে এটি কেমন খরচ হতে পারে। কারণ কোন কাজ সঠিকভাবে করতে চাইলে এবং সঠিকভাবে এটির ব্যবহার সম্পন্ন করতে চাইলে সেটি সম্পর্কে আগের সজাগ থাকতে হয়।
ডোমেইনের আন্ডারে কয়টি ওয়েবসাইট খোলা যায়
একটি ডোমেইনের আন্ডারে সাধারণত আমরা ১০০টি ওয়েবসাইট খুলে থাকতে পারি এবং এগুলা কাজে লাগিয়ে ব্লগার এবং ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট খুলতে পারি। একটি ডোমেইন মাত্র ২০০০ টাকা দিয়ে খুলে আমরা এটার বদলে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারি এমনকি মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারি আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে। তাই কিছু টাকা খরচ করে ডোমেইন কিনে আমরা ওয়েবসাইটে লাগাতে পারি এবং অনেক বেশি ইনকাম করতে পারি মাসে মাসে। এখন মাসে মাসে যদি এত বেশি ইনকাম হয় তাহলে দেখা যায় একটি বছরে তার বার্ষিক ইনকাম অনেক বেশি দাঁড়িয়ে যায়।
অনেক মানুষকে দেখেছি যারা একটি ডোমেইনের আন্ডারে অনেকগুলা ওয়েবসাইট খুলে থাকে এবং এই ডোমেইন গুলো ব্যবহার করে থাকে শুধুমাত্র ওয়েবসাইট খোলার জন্যই। এইভাবেই একটি ডোমেইনের আন্ডারে আমরা অনেকগুলো ওয়েবসাইট খুলতে পারি এবং আমরা সেগুলোতে ব্লগ লিখে দৈনিন্দন কাজে ব্যবহার করতে পারি এবং অনেক সময় ই-কমার্স ওয়েবসাইটও খুলে থাকতে পারি। কারণ এখন প্রত্যেকটি ব্যবসায়ী ই-কমার্স ওয়েবসাইট রেখে কাজ করছে।
কিন্তু যদি কাজের বেশি প্রেসার থাকে সে ক্ষেত্রে আমরা দেখা যাবে যে একটি ডোমেইনের আন্ডারে শুধুমাত্র একটি ওয়েবসাইটই খুলে থাকবো এবং সেটিতে বেশি বেশি করে ব্লগ লিখব এবং সেটি ভালোভাবে মার্কেটপ্লেসে স্থাপন করব। এতে করে হবে কি আমাদের আর্টিকেল লেখার হাতটিও ভালো হবে এবং আমাদের মাসে মাসে অনেক বেশি ইনকাম হবে।এভাবেই আমরা বলতে পারি।একটি ডোমেইনের আন্ডারে আমরা অনেকগুলো ওয়েবসাইট খুলে অনেক বেশি টাকা ইনকাম করতে পারি সুতরাং আমরা ডোমেইন কেনাটাকে এক ধরনের বুদ্ধিমানের কাজ মনে করব।
আবার অনেকেই ই কমার্স ওয়েবসাইট খোলার জন্য ডোমেইন কিনে থাকে আর সেক্ষেত্রে ডোমেইনের কয়েকটি ওয়েবসাইটের নাম দিয়ে থাকে, শুধুমাত্র নিজেদের কাজ ভালোভাবে চালানোর জন্য এবং নিজেদের মার্কেটপ্লেসের জিনিস বিক্রয় করার জন্য।এভাবেই সকলে ই-কমার্স ওয়েবসাইট খুলে নিজেদের জিনিস বিক্রি করে লাখো লাখো টাকা ইনকাম করছে শুধুমাত্র একটি ডোমেইনের আন্ডারে। সেজন্য ডোমেইনকে একটি লাকি জিনিস বলেও বলা যায়। এখন বর্তমান যুগে এটির আন্দাজে অনেক কিছু হয়ে যাচ্ছে।গুগল ক্লাউড ভিএম ইনস্ট্যান্সে কাস্টম ডোমেইন এসএসএল সেটআপ ।
শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সিং ছাড়াও মানুষ আজকাল নিজেদের ব্যবসা দাঁড় করানোর জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সিগুলোতে ডোমেইন কিনছে এবং এগুলো থেকে ভালোই ইনকাম করে থাকছে মাস শেষে। তাই বলতে পারি ডোমেইন খুব বেশি উপকারী একটি জিনিস এবং এটি কিনে আমরা নিজেদের একটি ভালো বিজনেসও দাঁড় করায় ফেলতে পারি শুধুমাত্র নিজেদের কাজের প্রেষণার জন্য। তারা এখন বিজনেস করতে চায় তাদের সকলেরই একটি ওয়েবসাইট থাকা জরুরি। আর ওয়েবসাইট থাকতে গেলে অবশ্যই ডোমেন কিনতে হবে।গুগল ক্লাউড ভিএম ইনস্ট্যান্সে কাস্টম ডোমেইন এসএসএল সেটআপ আনেক সহজ হবে।
ডোমেইন কেনার নিয়ম কি কি?
ডোমেইন কেনার নিয়ম সম্পর্কে আমরা পূর্ব পেরাগুলাতে অনেক কিছুই জানতে পেরেছি কিন্তু এই প্যারাতে আমরা সরাসরি জানতে পারবো কিভাবে আমরা ডোমেইন কিনতে পারবো এবং সেটা কাস্টম করে আমরা ব্যবহার করতে পারব। আর আমরা এই পেরায় আরো জানতে পারবো যে আমরা কি করে ডোমেইন কিনে সেই ডোমেইন টি কাস্টম করে সেটি ব্যবহার করে আমরা অনেক লাভজনক কাজ করব। তাই এই প্যারাটি ভালো করে পড়তে হবে এবং এটি সম্পর্কে অনেক ভালো করে বুঝতে হবে এবং তা করার জন্য উপলব্ধি করতে হবে।
আরো পড়ুনঃ ছাত্রদের টাকা আয় করার ২০ টি সেরা কার্যকরী উপায়
আজকাল অনেক বড় বড় ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সিগুলোতে ডোমেইন বিক্রি করে থাকে এবং অনেকের বিজনেস দাঁড় করায় দিয়ে থাকে এবং এগুলো কাস্টমস করে থাকে সেই ক্ষেত্রে তারা অনেক টাকা-পয়সা অনেক সময় চার্জ করতে পারে এবং অনেক সময় ডিসকাউন্টও দিতে পারে। আমরা এখন ডোমেইন কেনার জন্য এত বেশি কষ্ট না করে শুধুমাত্র একটি পরিচিত ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সিতে যেয়ে আমরা কাস্টমস করে ডোমেইন কিনতে পারি এবং এটি ঠিকমতো করে ব্যবহার করাও শিখে নিতে পারি।
এখন বড় বড় ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি বাংলাদেশের অনেক জায়গায় রয়েছে এবং তারা ডোমেইনি সেল দিয়ে থাকে অনেক ডিসকাউন্ট প্রাইসে। অনেক সময় আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে গেলে তাদের কাছ থেকেও ডোমেইন কিনতে পারি এবং এগুলো ব্যবহার করে আমরা অনেক বেশি লাভজনক কাজ করে থাকতে পারি। তাই যখন আমাদের ডোমেইন কেনা প্রয়োজন মনে হবে তখন আমরা এই ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সিগুলোতে যোগাযোগ করতে পারব।
ডোমেইন কেনার অনেক নিয়ম রয়েছে। এই নিয়মগুলো হল এদেরকে কিছু টাকা প্রথমে চার্জ করতে হবে এবং এই টাকা দেওয়ার পরে তারা আমাদের ওয়েবসাইটে একটি ডোমেইনের লিঙ্ক দিয়ে দিবে সেই ডোমেইনের আন্ডারে লিংক দিয়ে আমরা ওয়েবসাইট খুলতে পারবো। আমাকে ডোমেইন কেনার পূর্বে, সেই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভালো করে জানতে হবে। কোথায় আমরা টাকা খরচ করছি সেটাকে ভালো করে বুঝতে হবে এবং সেটি বুঝে খরচ করতে হবে ডোমেইন কেনার ক্ষেত্রে।
ডোমেইন নিজের নামে কাস্টম করার নিয়ম
প্রথমে যেকোনো ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি থেকে ডোমেইন পারচেজ করতে হবে। তারপরে এটি তে ওয়েবসাইট খুলতে হবে এবং সেটি ইমেইলে সেট করে নিতে হবে। তারপরে সেটিকে নিজের ইচ্ছামত নাম দিয়ে ওয়েবসাইট খুলতে হবে এবং আমরা যেকোনো ব্লগার ওয়েবসাইটে যেয়ে নিজের নাম দিয়ে ওয়েবসাইট খুলে সেটিকে কাস্টম করতে পারি। আমরা প্রথমে ডোমেনটাকে কিনতে পারি এবং তারপরে এটির ব্যবহার করতে পারি।
আমরা ব্লগার ছাড়া ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে কাস্টমাইজ করতে পারি এবং ডোমেইনের একটি নির্দিষ্ট নাম দিতে পারি। ডোমেইন এর নাম অনুযায়ী আমরা আমাদের ওয়েবসাইটের কাজ করতে পারি এবং ওয়েবসাইটে কাজ করে আমরা লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারি। এটিকে কিনে আমরা ব্যবহার করতে পারি এবং এটি নানা ভাবে কাস্টমাইস করে আমাদের ওয়েবসাইটে ব্যবহার করতে পারি।
একসময়ে একটি ডোমেইনের আন্ডারে আমরা অনেকগুলো ওয়েবসাইট খুলতে পারি এবং অনেকগুলো ওয়েবসাইটের অনেকগুলো নাম দিতে পারি এবং ওয়েবসাইট গুলার আন্ডারেও আমরা ফেসবুকে পেজ খুলতে পারি এবং সেই পেজগুলোতে ওয়েবসাইটের জিনিসপত্র দিতে পারি। ডোমেইন গুলো নিজের নামে কাস্টমাইজ করারও অনেক নিয়ম রয়েছে এই নিয়ম গুলো আমরা মেনে চললে ঠিকমতো করে কাস্টমেইস করতে পারব এবং আমরা ডোমেইনগুলো ব্যবহার করতে পারব।
বাংলাদেশে এখন অনেক মানুষ ডোমেইন কাস্টমার করে নিজের নামে করে নিচ্ছে এবং এগুলোকে ওয়েবসাইট এবং গুগল ক্লাউড এর ব্যবহার করছে নিজের ইচ্ছামত করে। এভাবেই ডোমেইন ব্যবহার করে মানুষ অনেক বেশি লাভবান হচ্ছে এবং তারা অনেক অনেক টাকা ইনকাম করে ফেলছে তাদের প্রতিদিন এর রুটিনেই। তাই এখন সকলেই ডোমেইন ব্যবহার করছে এবং যে কোন চাকরি করলেও তাদের একটি ওয়েবসাইট রাখছে শুধুমাত্র তাদের পরিচিতির জন্য।জানতে পারব গুগল ক্লাউড ভিএ
ক্লাউড হোস্টে ফ্রি ওয়েবসাইট কেনার নিয়ম
গুগল ক্লাউড ভিএম ইনস্ট্যান্সে কাস্টম ডোমেইন এসএসএল সেটআপ করা অনেক বেশি সহজ বলে আমরা আগের প্যারাগুলাতে জেনে এসেছি এবং এই বেড়াতে আমরা জানবো ক্লাউড হোস্টে ফ্রী ওয়েবসাইট কেনার নিয়ম গুলো কি কি এবং এগুলো কেমন হতে পারে। আর এগুলো অনেক বেশি সহজ হয়ে থাকে বলে এখনকার মানুষ ক্লাউড হোস্ট অনেক বেশি ব্যবহার করে থাকে। এটি ব্যবহারের পূর্বে অনেক নিয়ম-কানুন জেনে নিতে হবে।
আগে একটা সময় ছিল যখন ডোমেইন কিনতে গেলে ফ্রি ওয়েবসাইট কেনা যেত এবং ফ্রি ফ্রি ডোমেইন পারচেজ করা যেত। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে যে ফ্রি খুব বেশি পাওয়া যাচ্ছে না কারণ মানুষ অনেক বেশি এগুলো এখন কিনে ফেলেছে এর পূর্বেই। তাই এখন আগের তুলনায় domain কেনার নিয়ম একটু বেশি কঠিন হয়ে গেছে বলে অনেকে মনে করছে। তাই এখন সকলকে টাকা দিয়ে কিনতে হয় এবং এর জন্য ওয়েবসাইটের কিছু মূল্য দিতে হয়।
এখন ক্লাউড হোস্ট অনেক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে শুধুমাত্র ডোমেইন কেনা ছাড়াও দেখা যাচ্ছে যে মানুষ অন্যান্য অ্যাপস গুলো কিনে থাকছে এই ক্লাউড হোস থেকে এবং এগুলো অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে পেয়ে থাকছে। এভাবেই এই সফটওয়্যার টি অনেক বেশি ব্যবহার হচ্ছে এবং মানুষ এটির মূল্য দিতে শিখে যাচ্ছে অনেক বেশি বেশি। তাই যারা ওয়েবসাইট কিনতে চাই তাদেরকে বলতে হবে প্রথমে এটির ব্যবহার শিখে নেওয়া। তাহলে তাদের জন্য এটি কেনা অনেক বেশি সহজ হয়ে যাবে।
তাই বলা যাবে যে, বর্তমান যুগে যারা ক্লাউড হোস্ট ব্যবহার করতে পারেনা তারা এখনো এটি সম্পর্কে অনেক পিছিয়ে রয়েছে এবং যুগের আন্দাজে অনেক বেশি পিছিয়ে আছে। কারণ এখনকার যুগে এটি ব্যবহার করা জানতে হবে তাহলে তাদের ওয়েবসাইট বিজনেস টি অনেক ভালো হয়ে দাঁড়াবে এবং ওয়েবসাইটের ডোমেইন কিনে নিজেদের কাজ করতে পারবে অনেক ভালোভাবে।
ব্লগার ও ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট কি ?
ব্লগার ওয়েবসাইট হলো এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে আমরা প্রতিনিয়ত ব্লগ লিখে অথবা আমরা প্রতিনিয়ত ব্লগ পোস্ট করে ইনকাম করে থাকি। এই ওয়েবসাইটের সাধারণত দেখা যায় যে সকলে ব্লগ লেখি এবং আর্টিকেল লেখে প্রতিনিয়ত তাদের ইনকামের জন্য। এটি অনেকটা নিউজ পেপারের মতো হয়ে থাকে। এই ওয়েবসাইটে অনেকে আসে শুধুমাত্র আর্টিকেল পড়ার জন্য এবং কার আর্টিকেল কত বেশি ভালো সেটা দেখে একটা র্যাংকিং করে দেয় গুগল ওয়েবসাইট।
তাছাড়া ব্লগার ওয়েবসাইটে অনেক বেশি ই-কমার্স এর কাজ করা যায় না। কিন্তু তারপরেও এটিতে দেখা যায় যে ফেসবুক পেজের সাথে লিংকিং করা যায় এবং এই লিংকিং করে আমরা এই পোস্টগুলো ফেসবুকেও দেখতে পারি। এই লিংকিং গুলো করার মাধ্যমেই আমাদের ওয়েবসাইটের অনেক বেশি রিচ বাড়তে থাকে এবং এই রিচ বাড়ার ফলে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে তখন ইনকাম আসতে শুরু হয়।
তাছাড়া ব্লগার ওয়েবসাইটে আমরা সকল ব্যাপারে লেখালেখি করতে পারি। এটা একটি নিউজ পেপারের মতো ওয়েবসাইট এবং এটিতে আমরা একটি লোগো ব্যবহার করতে পারি আমাদের নিজেদের ইচ্ছা মতো করে। তাই আমরা নিজেদের ওয়েবসাইট খোলার আগে এই ওয়েবসাইট ব্যবহার করে থাকি শুধুমাত্র নিজেদের ভালো একটি কাজ দেওয়ার জন্য। ব্লগার ওয়েবসাইটের সাংবাদিকরা অনেক বেশি কাজ করে থাকে এবং যারা ও ব্লগ লেখে তারা অনেক বেশি কাজ করে থাকে।
এবার আসা যাক ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের কথায়। ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে আমরা
অনেক কাজ করতে পারি এবং ওই ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে আমরা দেখা যায় যে একটা
সময় ই কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য খুলতে পারি এবং ই-কমার্স ওয়েবসাইট খুলে আমরা
বিজনেস রান করতে পারি। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমরা অনেক কিছু করতে পারি
শুধুমাত্র বিজনেস করার জন্য।
তাছারা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট দেখা যায় যে, ব্লগার ওয়েবসাইটের তুলনায় একটু বেশি দামি হয়ে থাকে। কারণ এটি দিয়ে অনেক বেশি বিজনেসের কাজ করা হয় তো সে ক্ষেত্রেই দেখা যায় এটি দাম তুলনামূলক বেশি। সেই জন্য ব্লগার ওয়েবসাইটটি অনেকজন কিনলেও ওয়ার্ডপ্রেস অনেক বেশি কিনে থাকে না যারা শুধুমাত্র বিজনেস করে তারাই এটি কিনতে পারে। তাছাড়া আজ কালকের যুগে ই-কমার্স বিজনেস অনেক রমরমা ভাবিয়ে চলে যাচ্ছে এই ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের জন্য।
শেষ কথাঃ লেখক এর মন্তব্য
এটা সম্পর্কে আমরা জানতে পারলেও আমরা কিন্তু বুঝতে পারছি যে ওয়েবসাইট কেনার জন্য এটি অনেক বেশি জরুরি একটি জিনিস। তাই এগুলোর ব্যবহারবিধিও সকলকে জানতে হবে এবং এগুলোর ব্যবহার কেমন হয়ে থাকে সেটা সকলকে বুঝতে হবে। যে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে চট করে ডোমেইন কিনে ফেলা যাবে না। তাহলে নিজেরই একটা ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে যায় এবং নিজের খারাপ হয়ে যায়।গুগল ক্লাউড ভিএম ইনস্ট্যান্সে কাস্টম ডোমেইন এসএসএল সেটআপ করা সেই জন্য সহজ হয়ে গেছে ে।
এখন ডোমেন কেনার পূর্বে বুঝতে হবে যে কার কিরকম ধরনের ওয়েবসাইট প্রয়োজন। আর
এই ওয়েবসাইটের কথায় বুঝতে পারবো যে ওয়েবসাইটটি আসলে ভালো কি
মন্দ। ডোমেইন কেনার আগে সকলকে বুঝতে হবে যে ডোমেইন আসলে ভালো কি মন্দ হবে
এবং এটি কেমন দাম আন্দাজ এটি কেমন কাজে দিতে পারে। সেই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে
প্রথমের ভিউ গুলো জানতে হবে এবং রিভিউ জানতে হবে তারা কেমন কাজ দেয় সেটা
সম্পর্কে। কারন গুগল ক্লাউড ভিএম ইনস্ট্যান্সে কাস্টম ডোমেইন এসএসএল সেটআপ
রিভিউ না জেনে কোন কিছুই আগে করা ঠিক নয় বলে আমরা জানতে পারি।
পরিশেষে বলা যায় যে, গুগল ক্রাউড আসলেই অনেক কাজের জিনিস এবং এটি ডোমেইনের
জন্য অনেক বেশি ভালো কাজে দেয় এবং এটির দ্বারা আমরা অনেক বেশি উপকৃত হয়ে থাকি
আমাদের দৈনিন্দন জীবনে। তাই এখনো উদ্দেশ্যে আমরা এগুলো ব্যবহার করতে পারি
অনেক সুবিধা মত করে এবং নিজেদের স্বাচ্ছন্দ বোধ অনুযায়ী ব্যবহার করে আমরা অনেক
কাজ করতে পারি। এভাবেই আমাদের জীবন অনেক বেশি সহজ হয়ে যায়। কারন আমরা এখন
ডোমেন ব্যবহার করা শিখে গেছি অনেকটাই। ID.260709

.webp)
.webp)
.webp)
.webp)
.webp)
.webp)
.webp)
.webp)
.webp)
.webp)
.webp)

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url